March 30, 2020

ভা’রতের র’ক্ত আমাদের র’ক্তের সঙ্গে মিশে আছে, সেতুম’ন্ত্রী

ভা’রতে চলা স’হিং’সতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্র’ধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মো’দিকে সা’ম্প্রদায়িক আখ্যা দিতে তাকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের

জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে না আনার দা’বি করছেন অনেকে। অনেকে তাকে প্র’তিহতের হু’মকি দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সভা-সেমিনারে এই দা’বি উঠছে।বি’ষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের সা’ধারণ স’ম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুম’ন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও কথা বলেছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) স’চিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু ম’ন্ত্রণালয়ের সম্মেলনে কক্ষে স’মসাময়িক ইস্যুতে ডাকা সং’বাদ স’ম্মেলনে সাং’বাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে

কাদের বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্বকে আমরা বা’দ দে’ব, এটাতো চিন্তাও করা যায় না। আমাদের মু’ক্তিযু’দ্ধের প্রধান সাহায্যকারী ও সবচেয়ে বড় মিত্র দেশ ভারত।ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা ভারতকে মুজিববর্ষে আমন্ত্রণ করেছি।

এর প্রথম ও প্রধান কারণই হচ্ছে মু’ক্তিযু’দ্ধে তারা আমাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে। তারাই আমাদের প্রতিবেশী ও মিত্র দেশ। তাদের দেশের অভ্যন্তরের কোনো বি’ষয়ে যে সং’ঘাত, সং’ঘর্ষ, রা’জনৈতিক বি’রোধ- এটা চিন্তা করে তো আমরা তাদের আমন্ত্রণ জানাইনি। ভার’তের না’গরিকত্ব আইন

নিয়ে চলমান বি’ক্ষো’ভকে দেশটির অভ্যন্তরীণ সং’ঘাত মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভারতের সেই সং’ঘাত নিয়ে আমাদের এখানে কোনো প্রতিক্রিয়া হলে তা আমরা ভারত স’রকারের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই সমাধান করতে পারি। কিন্তু এ রকম একটা অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার যু’দ্ধে সহযোগিতাকারী প্রধান দেশকে আমরা বা’দ দেব- এটাতো চিন্তাও করা যায় না।’মুজিববর্ষে ভারতের প্র’ধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মো’দিকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে সামাজিক

যোগাযোগমাধ্যমে ব্যা’পক স’মালোচনার বি’ষয়ে আওয়ামী লীগের সা’ধারণ স’ম্পাদক বলেন,আমাদের দেশেও রাজনীতি নিয়ে স’রকার আর বি’রোধী দলের মধ্যে স’ম্পর্কটা সুখকর নয়। ভারতেও এখন তেমনটাই ঘটছে। তাই বলে সেই বি’ষয় তো অন্যদেশের সঙ্গে স’ম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার প্র’তিক্রিয়া বা

প্র’ভাব আসার কথা নয়।’তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষ বাংলাদেশের জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বি’ষয়। অনেক আগে থেকেই এর প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। মুক্তিযু’দ্ধের সময় ভারত আমাদের শ’রণার্থীদের সাহায্য করেছে। ভারতই আমাদের অ’স্ত্র ও ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। মুক্তিযু’দ্ধে ভার’তীয় সে’নারা অংশ নিয়েছে।সে হিসেবে আমাদের র’ক্তের সঙ্গে ভারতের র’ক্ত মিশে আছে। কাজেই ভা’রতকে এই মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানো তো কৃ’তঘ্নতার পরিচয় বলে মনে করি আমি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *